আজ অফিস থেকে তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরে আরিশার এমন অশ্লীল অবস্থা দেখে নিজের চোখকে বিশ্বাস করাতে পারছি না। আমার অবেলায় পর পরুষকে ঘরে ঢুকিয়ে কি আজেবাজে কাহিনী করে বেড়াচ্ছে। সেটা আজ অফিস থেকে তাড়াতাড়ি না আসলে বুঝতেই পারতাম।
.
আরিশা প্রায়ই কল দিয়ে জিজ্ঞাস করত কখন বাসায় ফিরবো। সত্যিটা বলতাম আর ঠিক ওই একই সময়ে বাসায় ফিরতাম। ফেরার পথে প্রতিদিন আরিশার জন্য একেকদিন একেক জিনিস নিয়ে বাসায় ফিরতাম কখনো চটপটি কখনো ফোসকা যেদিন যা পাই তা নিয়ে বাসায় ফিরি। অবশ্য ফোসকাটা ওর বেশি প্রিয়।
.
আজ দুপুরে আরিশা আমাকে ফোন দিয়ে জিজ্ঞাস করল, কখন বাসায় ফিরবো ??
বলেছিলাম প্রতিদিনের মতো আজকেও বাসায় ফিরতে সন্ধ্যা হবে । কিন্তু আচমকা দুপুরের পর অফিসের কাজে মন বসছে না শুধু বাসায় যেতে ইচ্ছা হচ্ছিলো এজন্য বিকালে বাসার দিকে রওনা হলাম। যাওয়ার সময় আরিশা আর আমার জন্য দুই প্লেট ফোসকা নিলাম। ভেবেছি দুজনে আয়েশ করে এক সাথে বেলকানিতে বসে সন্ধ্যাটা পার করব এই মানসিকতা নিয়ে বাসায় ফিরলাম।
.
দরজার সামনে দাঁড়াতেই রুম থেকে আরিশা আর অন্য একটা মানুষের নোংরা নোংরা কথার শুনা যাচ্ছে।খুব স্পষ্ট ভাবে শুনা যাচ্ছে ওদের কথা।
ছিঃ আরিশা এতো নিকৃষ্ট একটা মেয়ে কখনো টেরই পাইনি। চার মাসের অন্ত:সত্ত্বা হয়েও এই মেয়ে এতো বড় জঘন্য কাজ করছে। ভাবতেও ঘেন্না হয় আমার।
.
কি করব মাথায় কাজ করছে না ।কি হচ্ছে এসব ....!!!
এতো ভালবাসি মেয়েটাকে অথচ সে কিনা আমার সাথে এতো বড় বিশ্বাস ঘাতকতা করছে।
.
শেষমেশ দরজায় নক না করেই নিচে নেমে পড়লাম। বাসার সামনে রাস্তার ওপাশে টং দোকানে গিয়ে একটা সিগারেট ধরালাম। এমন ঘটনা দেখে পুরো শরীর শিহরণ দিয়ে হাত পা কাঁপছে। সিগারেটা একটু শেষ করেই পায়ের নিচে পেলে চাপা দিয়ে একটা বেঞ্চে বসে পড়লাম।
আমার এমন হাল দেখে দোকানদার মামা বলল।
কিও মিয়া এতো হতাশা লাগছে কেনো ?? কিছু হল নাকি
আমি বললাম,না কিছু হয়নি ।
উনি আবার বললেন চা দিব ??
মন চাচ্ছে না। আরেকটা সিগারেট দেন !!!!
এটাও পেলে দিলাম। শরীর ঘামাচ্ছে আর টিস্যু দিয়ে সেটা মুছে ফেলছি।
ছয়তালা ভবনের মধ্য আমরা তৃতীয় তালায় থাকি। এই বাড়ি থেকে কেউ বাহির হলে আমার সামনে দিয়েই যেতে হবে। তাই ওখানে বসে অপেক্ষা করছি লোকটার জন্য কখন বাহির হবে।ভাবছি কে হতে পারে এই লোকটা।
বাবা মায়ের সম্মতিতে বছর দু'য়েক আগে আরিশাকে বিয়ে করেছি । তাহলে হয়তো ওর আগে কারো সাথে রিলেশন ছিল, তার সাথে এইসব অপকর্ম চালাচ্ছে।
.
বেশ কিছুক্ষণ হলো কাউকে নামতে দেখছি না। মাথা খাটিয়ে আরিশাকে একটা করলাম। দেখি কি করে। কিন্তু কল ধরছে না। কয়েকবার ট্রাই করার পর মোবাইল কানের ধারেই থাকতে, হঠাৎ বাড়ির দিক থেকে ডিসের টাকা কারসিট করার ছেলেটা নিচে নামল। তারমানে এই ছেলে। ওতো ভাল একটা ছেলে। ভাল হলেই ভিতরের কর্ম চিনা যায় না।
মনে করছে চেমরাটারে রাস্তার উপর রেখেই একটা দোলাই দিই। সম্মানের কথা চিন্তা করে রাগটা চেপে রাখি। লোকে জানাজানি হলে আমারই মান সম্মানে আঘাত হানবে। কাপুরুষ বলে ডাকাডাকি করাও আজকালকার সমাজের একটা স্বভাব। তারপরেও আরো সিউর হওয়ার জন্য অপেক্ষা করলাম। নাহ...! আর কেউ বাহির হয়নি।
.
বাসায় ফিরে দরজা নক করলাম। আরিশা এসে দরজা খুলল। কপালে টিপ, রঙিন শাড়ি পরে একদম পরিপাটি। ওই ডিসওয়ালা ছেলেটার জন্য এতো সাজুগুজু করে এখন আমার মন বোলানোর চেষ্টা করছে। প্রচন্ড জেদে আমার শরীর গিল গিল করছে। কয়েকটা তানি দিয়ে এখনই ডিবর্স নামায় সই করে হাতে ধরিয়ে দিতে মন চাচ্ছে। এটা ভাবতে না ভাবতেই আরিশা আমার গলা জড়িত ধরে বলল।
আয়ন আমাকে কেমন লাগছে ? আজ কয় তারিখ, তোমার মনে আছে।
আমি জেদ ঠেকাতে না পেরে বলেই পেললাম,
লজ্জা করে না তোমার, এখন আমার মন বোলানোর চেষ্টা করো। ছিঃ আরিশা।
এই বলে জোরে একটা চড় মারলাম।আরিশা টেবিলের উপর গিয়ে পড়া সাথে সাথে একটা চিৎকার করল। পিছনে না তাকিয়ে ফ্রেশ হতে চলে আসলাম। ফ্রেশ হওয়ার সময় একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম আজ আরিশা আমার জেদ ভাঙ্গার জন্য আসছে না । অন্যদিন কোন কারণে জেদ করলে আমার পিছনে এসে জড়িয়ে ধরে রাগ থামানো চেষ্ট করত। কিন্ত আজ আসছে না কেনো। ততক্ষনে মনে হলো আরিশা তো টেবিলের উপর পড়ে চিৎকার করল। তাহলে....
তাড়াতাড়ি গিয়ে দেখি আরিশা অজ্ঞান হয়ে মেঝেতে পড়ে আছে। রক্তে পুরো রুম ছোপ ছোপ করছে। টেবিলের উপর রাখা চুরি দিয়ে ডান হাতের শিরাটা চরম ভাবে কেটে যায়। এমন দৃশ্য দেখে হতবাক হয়ে গেলাম। এ আমি কি করলাম। নিঃশ্বাস নিচ্ছে.... পাশের বাসার চাচীকে ডাকলাম। চাচী এসে ওর মাথায় পানি দিচ্ছে । তবুও জ্ঞান না ফিরায় তাড়াতাড়ি করে হসপিটালে নিয়ে গেলাম।
.
ডাক্তার এসে বলল,
রোগীর রক্তের প্রয়োজন অনেক রক্তক্ষরণ হয়েছে তাছাড়া রোগী পেটে অনেক ব্যাথা অনুভব করছে,আপনি তাড়াতাড়ি একটা চেক-আপ করান।
আমি বললা, যা যা প্রয়োজন আপনারা করান।আমি রক্তের ব্যবস্থা করছি।
বন্ধুদের কল করে রক্ত মেনেজ করলাম। রাত দশটার নাগাত আরিশার জ্ঞান ফিরল।
আমি ওর পাশেই বসেছিল। এখনো কপালের টিপটা জায়গা মতো আছে। আরিশা জ্ঞান ফেরা মাত্রই আমার হাত চেপে ধরে বলল,তুমি আমার সাথে এমন করলে কেন ?
কিছুই বলিনি। চুপ করে বসে রইলাম।
এই মুহূর্তে এমন প্রশ্নের উওর আমি দিতে যাব না।
নিজের কানে যা শুনলাম তা কখনো মিথ্যা হতে পারে না। এখন আমার সামনে ভাল হওয়ার চেষ্টা করে কোন লাভ নেই।
আরিশা আবার বলল, আয়ন...কি ভাবছো। তুমি বলবে না আমার সাথে এমন করলে কেনো ??
আমি বললাম,
আসলে ওই সময় একটু চিন্তিত ছিলাম তাই ভুল বসত করে ফেললাম।
মিথ্যা বলে আরিশার কাছে বিষয়টা চাপা দিয়ে রাখলাম । এখন থাক হাতে নাতে ধরে এর একটা বিহিত করব। এটা সেটা বলে কথাটা ঘুরিয়ে নিলাম।
-- আচ্ছা এখন ঘুমাও। তোমার অনেক রক্ত ক্ষরণ হয়েছে। একটু বিশ্রাম নাও।
আরিশা ঘুমিয়ে পড়ল। আমি ওর পাশে চেয়ারে ঘুমিয়ে পড়লাম।
.
সকালে আরিশাকে নাস্তা করিয়ে দেওয়ার পর। ডাক্তার আমাকে উনার চেম্বারে ডাকল। আমি গেলাম। ডাক্তার একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল। আরিশার এমন অবস্থা হলো কি করে ?
বললাম রান্নাঘরে পড়ে এমন হয়েছে। ডাক্তার আবার বললেন একটা সেড নিউজ আছে।আমতা আমতা করে বললাম,
-- স্যার বেশি কিছু।
ডাক্তার সাহেব বললেন ,তার আগে বলুন আরিশা কতদিনের অন্তঃসত্ত্বা।
-- স্যার চার মাস হবে।
-- দেখুন রোগীর পেটে প্রচন্ড আঘাতের ফলে বাচ্চাটা মারা যায়।
-- কি বলছেন, স্যার।
-- হুম বাচ্চাটা নষ্ট হয়ে গেছে।
এটা আমি কি করলাম। আরিশাকে এটা শুনানো যাবে না। ওর অনেক আশা ছিল বাচ্ছাটাকে নিয়ে। ডাক্তারের রুম থেকে গিয়ে আরিশার কাছে গেলাম।
বড্ড মায়া লাগছে ওর প্রতি। আমার দিকে তাকিয়ে আছে। চোখ নামিয়ে ওর কাছ থেকে চলে আসলাম।
আরিশাকে হাসপিটালে রেখে বাসায় এসে রুমে ঢুকার আগে চাচীর ফ্লাটে গিয়ে আরিশার ব্যাপারটা সব কিছু খুলে বললাম। ইবেন বাচ্চা নষ্ট হওয়ার কথাটাও বললাম যাতে আরিশাকে সব কিছু বুঝিয়ে বলতে পারে।
কিন্তু চাচী আরিশার এই ব্যাপারটা একটুও বিশ্বাস করতে চাচ্ছে না। উনি বলে আরিশা একটা ভাল মেয়ে এটা করতেই পারে না। তারপর উনাকে বুঝিয়ে বললাম যে আমি নিজ কানে শুনেছি।
চাচী বলল আমি হয়তো ভুল শুনেছি।
এখন ভয় শুধু একটা আরিশা বাচ্চা নষ্ট হওয়ার কথা শুনলেই কি করবে কিছুতেই সেরে উঠতে পারছি না।
এটা ভাবতে ভাবতে চাচীর প্লাট থেকে এসে রুমে ঢুকতে যাব। ঠিক তখনই ভিতর থেকে আরিশার হাসির শব্দ শুনা যাচ্ছে। কিন্তু আরিশাতো হসপিটালে, রুমের চাবিও আমার কাছ। তাহলে ভিতরে কে....
( চলবে).
গল্প-- সংশয়
.ভালো লাগলে পেজটি অবশ্যই লাইক দিবেন যাতে পরবর্তী পোস্টটি পান--ধন্যবাদ-----
ভিড়িওতে সরাসরি দেখতে ভিজিট করো : http://corneey.com/wBOcq2
মুখটা গুদের ওপর চেপে ধরে বলল – আহ উঃ খুব আরাম লাগছে।
এই বাড়িতে বউ হয়ে আসার দিনয় আটচল্লিশ বছরের সাস্থ্যবান জোয়ান তাগড়া চেহারার বিপত্নীক কাকুম শ্বশুরকে মেনকার যেমন ভাল লেগে গিয়েছিল, তেমনি ঢলঢলে চ...
-
আমার এইবারের চোদনটায় রুনুমাসি হাড়েহাড়ে টের পেল যে কি একটা আস্ত তালগাছের মত বাড়ার সাথে ওর পালা পড়েছে । এমন খ্যাপা হাতির ঠাপে রুনুমাসির...
-
প্রতিদিনের মত কেয়া আর অন্তি ছাদে হাটতে বেরিয়েছে। একটু পরে দেখে একটা ছেলে ছাদে এসে উদাসভাবে পশ্চিম আকাশের দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ছ...
