নূরজাহান রোডের একটি ফার্মেসির দোকান। সাথে ছোটখাট একটা ডাক্তারের চেম্বার। তানভির ডাক্তারের ভাতিজা। বয়স ২৩ এর ঘরে। ঢাকা কলেজে অনার্স করছে। কলেজের ক্লাস শেষ করেই ছেলেটা অইখানে বসে থাকে। সাথে আরো একজন ছেলে থাকে সোহান তার নাম। তানভীর এর আরেক চাচাতো ভাই। বয়সে বড় মাস্টার্স ফাইনাল দিবে। তানভীর সারা দিন রাত একটা পর্যন্ত দোকানে বসে থাকে। ডাক্তার চাচা সন্ধ্যার পর চেম্বারে আসেন আর ১০ টা পর্যন্ত রোগী দেখেন। রাস্তার ধারে হয়াতে ফার্মেসিতে চাপ একটু বেশি থাকে। সারাদিন বিভিন্ন রোগের ওষুধ দিতে দিতে তানভীরের ব্যাস্ততম দিন চলে যায়। এসব কাজ করতে ভালই লাগে। বিশেষ করে লোকজন যখন কনডম কিনতে আসে তখন তার যে কি ভাল লাগে। কচি পোলা ১২-১৩ বছরের পোলা থেকা শুরু করে ৬০-৭০ বছরের বুড়া লোক তার কন্ডমের কাস্টমার। কন্ডম কেনার সময় কাস্টমার দের এক্সপ্রেশন উপভোগ করে সে। কেউ কেউ ইতস্তত বোধ করে আর কেউ কেউ ডাইরেক্ট নির্বিকার ভাবে কিনতে আসে। একেক প্যাকেট একেক জনের কাছে বেচে আর সে চিন্তা করে ইস! হালার পুতে আজ যা লাগাইবো রে! আহ বিছানা কাপাই দিবো। উফ! ভাবতেই ওর ধোন লাফ দিয়া ওঠে।জোয়ান পোলাপাইন ওর দোকানের কন্ডমের মেইন কাস্টমার। কারন হইলো সামনের মোড়ের ফার্মেসি দোকানে এক বুড়া চাচা থাকে। পোলাপাইন বুড়া চাচার কাছে কন্ডম চাইতে ইতস্তত করে। কিন্তু সে যুবক হওয়াতে ওর দোকানে সবাই কন্ডম কিনতে আসে। এরকম এক দিন এক সন্ধ্যা বেলা। চাপ একটু কম এক ১৩-১৪ বছরের পোলা দোকানের সামনে দুইবার ঘুরে গেছে। কিন্তু কিছুই বলতে পারে নি। দোকানে মুরুব্বি কাস্টমার ছিল। মুরুব্বি বিদায় হইতেই পোলাডা হাজির হল। এদিক সেদিক উকিঝুকি মারছে।
তানভির : কি লাগবো ভাই?
ছেলেটা: দেখি ভাই
তানভির: ভাই এইডা তো কাপড়ের দোকান না যে দেখবেন। ( চুপিচুপি) কন্ডম লাগবো?
ছেলেটা: হ ভাই। ভাল দেইখা এক প্যাকেট দেন।
তানভির: বুঝলাচ্ছি ভাইয়া। লন। ডিউরেক্স ৩ টা আছে। ফরেন মাল। মজা পাইবেন।
ছেলেটা: ফাইটা যাইবো না তো।
তানভির: দূর। পুরাই পারফেক্ট, একদম চিন্তা করবেন না।
ছেলেটা: কত?
তানভির: ১০০ টাকা বস।
ছেলেটা: এত ক্যান?
তানভির: ভাই বিদেশি জিনিস। আর ভাল জিনিসের দাম একটু বেশি। লয়া যান।
ছেলেটা: ওকে দাও। ( ছেলেটা তাড়াহুড়া করে চলে গেল।)
তানভির: ভাইজানের ফার্স্ট টাইম নাকি?
ছেলেটা কিছু না বলে চলে গেল।
তানভীর : বেস্ট অফ লাক ভাই ভাল লাগলে আবার আইয়েন। হে হে
এসব দৃশ্য তানভিরের নিয়মত দেখা। তবে অই দিনের ঘটনা তার স্মরনীয়।
রাত সাড়ে এগারোটা বাজতেছে। সোহান ভাই চলে গেছে একঘন্টা আগে। ডাক্তার তো ১০ বাজতেই হাওয়া। সে একা একা ঢুলছে। বাইরের আবহাওয়া ভাল না। ঝড়ো হাওয়া বইছে। বৃষ্টি আসি আসি করছে। লোকজন সব বাড়ির দিকে ছুটছে। দোকান এর সাটার নামাতে যাইবো এমন সময় এক লোক বাইক থেকে নামলো। হেলম্যাড টা খুলতেই দেখে অস্থির চেহারার এক যুবক । মাথার সিল্কি চুল গুলা ঝাকি দিয়ে উঠলো। বেশি না তার সমবয়সি হবে। কি ফিগার মাইরি। জিম করে বুঝা যায় পেটানো শরীর আর বাহুর মাসল গুলা দেখলেই বুঝা যায় পোলা হাই লেভেলের হ্যান্ডসাম। আর ফরসা চেহারাটা পুরাই চার্মিং। একটা হাসি দিয়া কইল
ছেলেটা: দোকান বন্ধ করছেন নাকি?
তানভির: হ ভাই। বাইরের আবহাওয়া ভাল না। বাসাই গিয়া ঘুমাই গা।
ছেলেটা: ফার্মেসি দোকান এত তাড়াতাড়ি বন্ধ করলে কি চলে? এই আবহাওয়াই তো বেচা কেনার জন্য পারফেক্ট।
তানভির : তা বটে? তা বস আপনার কি লাগবো?
ছেলেটে: দুই প্যাকেট মুডস কন্ডম দাও।
তানভির: ভাইজান মুডস তো নাই। ডিউরেক্স আছে।
ছেলেটা: সমস্যা হইলো কি! ডিউরেক্স গুলা আমার ফিট হয় না। চাপ লাগলেই ফাইটা যায়।
তানভির: কোরাল আছে। মজা পাইবেন। পুরাই মাক্ষন!
ছেলেটা: কথা হইল যে নিয়া তো গেলাম কিন্তু ফিট না হলে তো আবার আইতে হবে।
তানভির: ভাই এটা তো কাপড়ের দোকান না যে ট্রায়াল দিবেন। হা হা হা। সব একই সাইজ।
ছেলেটা: হুম আমি চিন্তা করছি একটা ট্রায়াল দিয়া দেখি। কোন সমস্যা নাই তো! যেডা খুলব ওইটার দাম পে করে যাব।
তানভির: ঠিক আছে বস। এই নেন কোরাল। ডাক্তারের রুমে গিয়া ট্রায়াল দেন।
ছেলেটা: থ্যাংস ভাই। বাইকটা দেখেন। আমি পইরা আইতেছি।
তানভির ভাবতেছে, কি আজিব লোকের পাল্লাই পরলাম। হতাৎ পোলাডা ভিতর থেকে ডাক দিল।
ছেলেটা: ভাই একটু ভিতরে আইবেন?
তানভির: (ভিতরে গিয়ে) ফিট হইছে ভাই?
ছেলেটা: ভাই সমস্যা হইল কি! খাড়াইতেছে না। আর জানেন ই তো কন্ডম খাড়া বাড়ার উপর পরতে হয়। কোন পর্ন ভিডিও আছে? আমার মোবাইল বাসায় রেখে আসছি।
তানভির কিছুটা টাস্কিত হইল। ছেলেটার বিশাল ধোন ঝুলে আছে। এমনি নরমাল অবস্থায় ৫ ইঞ্চি লম্বা, খাড়াইলে না জানি কত লম্বা হয়! আর কি ফর্সা! পুরাই ফরেন মাল। বিচি দুইডা দেখি বিশাল ঝোলা।মুন্ডিটা গোলাপি। তানভিরের মন চাচ্ছে সাক কইরা খাড়া করাই দিতে। নিজেকে অনেক কষ্টে সামলে নিয়া কইলো
তানভির : না ভাই ডিলিট কইরা দিছি।
ছেলেটা: কি যে করেন না। এই বয়সে তো মোবাইল ভর্তি পর্নের কালেকশন...
সরাসরি চু***র ভিড়িও দেখতে ভিজিট করো : http://corneey.com/wBOcq2
